Online Earn

  • This is Slide 1 Title

    This is slide 1 description. Go to Edit HTML and replace these sentences with your own words. This is a Blogger template by Lasantha - PremiumBloggerTemplates.com...

  • This is Slide 2 Title

    This is slide 2 description. Go to Edit HTML and replace these sentences with your own words. This is a Blogger template by Lasantha - PremiumBloggerTemplates.com...

  • This is Slide 3 Title

    This is slide 3 description. Go to Edit HTML and replace these sentences with your own words. This is a Blogger template by Lasantha - PremiumBloggerTemplates.com...

Thursday, October 27, 2016

হারানো ফাইল রিকভারী করার সহজ উপায়.

প্রিয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ভ।ই ও বোনেরা, আশা করি সবাই ভাল আছেন. আমি চাই আমার মাঝে যা আছে সেটুকু আপনাদের মাঝে সেয়ার করতে. সাধারনত আমরা মোবাইল, কম্পিউটার ব্যবহার করতে গিয়ে অনেক সময় অনেক সমস্যায় পরি. কিন্তু সবচেয়ে তখনই বেশি খারাপ লাগে যখন আমরা আমাদের অনেক দিনের জমান তত্ত্ব হারিয়ে ফেলি, জীবনের অনেক স্মৃতি বিজরীত ছবিগুলো যখন হারিয়ে ফেলি তখন যেন মনে হয় জীবন থেকে অনেক কিছু হারিয়ে ফেলিছি. আর বুজি কখনওই এগুলো ফিরে পাওয়া যাবে না. তাই আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব “হারানো ফাইল রিকভারী করার সহজ উপায়

এখন থেকে ইচ্ছা করে আপনার দরকারী ফাইলগুলো হারিয়ে ফেলেন, প্রয়োজন হলে আবার খুজে বের করতে পারবেন. এজন্য আপনাদের সাধারন একটা সফটওয়ার প্রয়োজন. ভাবছেন কোথায় পাবেন? খুজতে হবে না. সফটওয়ারটি পেতে এখনে ক্লিক করুন, তাহলেই পেয়ে যাবেন আপনার কাঙ্কিত আলাদিনের প্রদিপ. কথায় কথায় বুজি সফটওয়ারটা ডাউনলোড করে ফেলেছেন. আসেন এবার ইনেস্টল করি. ইনেস্টল করার পুর্বে WIN RAR সফটওয়ারটা ইনেস্টল করে নিবেন. আসুন এবার কাজ শুরু করা যাক.

প্রথমে ডাবল ক্লিক করে ফাইলটি রান করান. ভাষা ইংলিশ সেট করে OK করুন.

এখন ঊপারের মত এই পেজটি দেখতে পাবেন. এখান থেকে Next ক্লিক করুন এবং আবার Next ক্লিক করুন.

এবার উপারের মত এই পেজটি দেখতে পাবেন. এখান থেকে Accept  বাটনে ক্লিক করুন. তাহলে অন্য একটি পেজ খুলবে. সেখান থেকে Confirm বাটনে ক্লিক করুন তাহলে Install বাটন পাবেন. এখান থেকে দুই বার Install বাটনে ক্লিক করুন.

এবার উপরের মত সফটওয়ারটির হোম পেজ দেখতে পাবেন. এখান থেকে চাইলে আপনি সবধরনের ফাইল রিকভার করতে পারেন আবার ইচ্ছা করলে আপনার ইচ্ছামত ফাইল রিকভার করতে পারেন. আপনি যে ধরনের ফাইল রিকভারী করতে চান এই হোম পেজ থেকে সেটার উপারে টিক চিহ্ন নিচের Next অপশনে ক্লিক করুন.

এরপর উপরের মত একটা পেজ আসবে, আপনি কোন ড্রাইভ থেকে ডাটা রিকভারী করত চান সেই ড্রাইভ সিলেক্ট করে নিচের Next বাটনে ক্লিক করুন.

এরপর আপনার ডাটা ‍রিকভার হতে থাকবে. এ সময় একটা ম্যাসেজ আসতে পারে , আসলে  Ok করে বের হয়ে আসবে . 100% হয়ে গেলে যে ফাইলগুলো আপনি রিকভার করতে চান সেই ফাইলগুলেতে টিক চিহ্ন দিয়ে নিচের রিকভার বাটনে ক্লিক করুন. তাহলেই পেয়ে যাবেন আপনার হারানো ফাইলগুলো.

ভাল থাকবেন বন্ধুরা আর আমার জন্য দোয়া করবেন. যাতে আপনাদের জন্য ভাল কিছু পোস্ট করতে পারি. ভাল লাগলে ঘুরে আসতে পারেন আমাদের Facebook Page থেকে.

Thursday, August 25, 2016

কোন ডিভাইস ছাড়াই কিভাবে ডেস্কটপে ওয়াইফাই ব্যাবহার করবেন ?

আমরা সাধারণত ডেস্কটপে ওয়াইফাই দিয়ে ইন্টারনেট চালাতে পারি নাতাই আমরা অন্য উপায়ে ডেস্কটপে ওয়াইফাই দিয়ে ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে পারি। ওয়াইফাই রাউটার থাকলেও ডেস্কটপে ওয়াইফাই রিসিভার না থাকলে এই সুবিধা পাওয়া যায় নাতাই নিরুপায় হয়ে ব্যবহার করতে হয় ব্রডব্যান্ড,BTCL এর ইন্টারনেট অথবা মডেম
তবে আপনি যদি চা ডেস্কটপে রাউটার বা BTCL এর ইন্টারনেট ব্যবহার না করেই আপনার মোবাইলের ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন যদি আপনার কাছে থাকে একটি স্মার্ট ফন। স্মার্ট ফোন আপনার হাতের মুঠোয় এনে দিয়েসে সকল সুবিধা। আপনার বাসায় যদি ওয়াইফাই সংযোগ থাকে  মোবাইলের ওয়াইফাই সংযোগ দিয়ে ডেস্কটপে নেট ব্যবহার করতে পারবেন
চলুন জেনে নেই ডেস্কটপে ওয়াইফাইরিসিভার ব্যাবহার না করে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক কিভাবে ব্যবহার করা যায়এ জন্য আপনার দরকার হবে একটি স্মার্ট ফোন,ফোনে আপনার সুবিধা অনুযায়ী নিবেন একটি ডাটা প্যাক আর লাগবে একটি ডাটা ক্যাবল

কিভাবে করবেন:
প্রথমে আপনার মোবাইলে ওয়াইফাই অথবা ডাটা সংযোগ চালু করুনএরপর ডাটা ক্যাবল দিয়ে ডেস্কটপের সঙ্গে সংযুক্ত করুনএবার মোবাইলের সেটিংস এ যান,সেটিংস এ গিয়ে ডাটা ইউসেজ অপশনের পর মোরঅপশনে ক্লিক করুনমোর আপশন থেকে টিদারিং অ্যান্ড পোর্টেবল হটস্পটক্লিক করুন, সবশেষে দেখুন ইউএসবি টিদারিংনামে একটি অপশন আসে এই অপশনটি অন করে দিন কিন্তু ভুল করেও ইউএসবি স্টোরেজ অপশন চালু করবেন না

এবার দেখুন আপনার মনিটরের নিচে ডান পাশে কনায় ওয়াইফাই চিনহ বা নেটওয়ার্কের মত চিনহ আসছে কিনা,নিশ্চয়ই আসবে,আর যদি না আসে তবে আপনার ফোনে অথবা ডেস্কটপেঅন্য কোথাও প্রবলেম থাকতে পারে।

এবার আপনার ডেস্কটপে অন্য কোনো ডিভাইস ছাড়াই চালান ওয়াইফাই দিয়ে ইন্টারনেট

Tuesday, August 9, 2016

আপনি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করেন ? ভয়ঙ্কর ‘গডলেস’থেকে সাবধান ।



ভয়ঙ্করগডলেসথেকে সাবধান.

আপনি যদি অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করে থাকেন তবে একটু সতর্কতার সহিত করবেন । অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনে ক্ষতিকর একটি ভাইরাস দ্রুত ছড়াচ্ছে. এই ভাইরাস অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমকে দশমিক বা তার আগের যেকোনো সংস্করণে নিয়ে আসতে পারে. ক্ষতিকর ওই প্রোগ্রামটির নামগডলেস.
তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা সফটওয়্যার নির্মাতা ট্রেন্ড মাইক্রো জানিয়েছে, গডলেস প্রোগ্রামটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের ভেতরে লুকিয়ে থাকে। আর ফোনের অপারেটিং সিস্টেমের রুটে স্থান করে নেয়। যা ক্ষতিকর অন্যান্য অ্যাপ ডাউনলোড করে ফেলতে পারে.
আপনার ফোন কে করতে পারে হাং ,ডেড হয়ে যাওয়ার ও সম্ভাবনা ও আসে.
সুতরাং আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন টি ব্যবহার করবেন একটু সাবধানে.


বিশ্বজুড়ে প্রায় লাখ হাজার ফোন ম্যালওয়্যারে আক্রান্ত হয়েছে।এই মারাত্মক ভাইরাস টি আপনার ফনের মত আপনার কম্পিউটারে ও আক্রমণ করতে পারে। তাই সব সময় আপনার ফোন বলেন কম্পিউটার বলেন একটা ইন্টারনেট সিকিউরিটি ব্যবহার করবেন।
গুগলের প্লে স্টোরের মতো অ্যাপ স্টোরেও গডলেস প্রোগ্রামযুক্ত অ্যাপ রয়েছে। তাই যখন অ্যাপ ডাউনলোড করবেন, তখন অবশ্যই অ্যাপ নির্মাতাকে পর্যালোচনা করবেন।

Friday, July 22, 2016

Some Important Tips For weight lose.

Do a purge :

"You can totally cleaned out my pantry. Once I replaced the foods you used to overindulge in, like ice cream, with lower-cal snacks, such as roasted sunflower seeds or Special K Chocolatey Delight cereal, you began making better choices automatically. 

Pile on the veggies :

"By adding vegetables to the foods I love—like eating pizza topped with arugula and green peppers instead of pepperoni—I became so full so quickly that I no longer had room to eat things like chips or super-rich desserts.

Run your butt off :

"When I wanted to fit into my skinny jeans again, I started running 20 minutes a day during my lunch hour. In two months, I've lost 20 pounds, have tons of energy, and just finished my first 5K.

Downward dog it :

"Yoga has become the best thing for my relationship with food and my body. From practicing it several times a week, I'm now more in touch with my hunger cues—so I eat intuitively and stop when I'm full.

Don’t supersize it :

"When going out for fast food, I used to get the large-size value meal. Now, I satisfy a craving by ordering just one item: a small order of fries or a six-piece box of chicken nuggets. So far, I've shaved off 16 pounds in seven weeks, and I'm on track to being thinner than my high school self for my 10-year reunion later this year."


3 Ways to Lose Weight Fast

Tweak your lifestyle :

It's a familiar story: You pledge to honor a daily elliptical routine and count every last calorie. But soon, you're eating cupcakes at the office and grabbing happy hour mojitos, thinking, Oops, diet over.

There is a better way: Swap the all-or-nothing approach for one or two healthy switch-ups in your daily routine. "Doing this can lead to more weight loss than you ever imagined," says Marissa Lippert, RD, author of The Cheater's Diet.

Skip the salty aisle :

"I reached my goal weight after I stopped routinely buying snacks at the grocery store. If I wanted a bag of chips or a candy bar, I had to walk to the store to get it. That inconvenience usually made me ignore my cravings." —Heather Del Baso, Worcester, MA

Get fit in five :

"I try to fit in small bouts of exercise whenever possible, like doing jumping jacks or crunches during television commercials or dancing while washing dishes. This burns extra calories and keeps me from mindlessly munching in front of the TV



Wednesday, July 20, 2016

"ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস" "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস" "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস"

"ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস" "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস" "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস"
 
যে দিকে তাকাই যার মোবাবাইলে ই দেখি "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস" গেইম আছে,
সত্যি বলতে আমি নিজে ও একজন "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস"পাগল,অবশর সময় কাটানোর
জন্য উপযুক্ত গেইম হল "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস"এখন বিশ্বের ৭০% যুবক এই গেইম এর ভক্ত।
আজকাল উত্সাহী গেইমারদের গেইমের বাজার ধরার জন্য ডেভলপাররা কনসোল ভিত্তিক গেইমগুলোর দিকেই ঝুঁকছেন এবং স্মার্টফোনের বাজারে উন্মুক্ত করছেন।
বর্তমান বিশ্বের সর্বাধিক বিক্রিত মোবাইল গেইম হল "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস", যা মধ্যযুগীয় ফ্যান্টাসি জগতকে উপজীব্য করে বানানো একটি যুদ্ধ কৌশল নির্ভর গেইম। এ সপ্তাহে চায়নার টেনসেন্ট হোল্ডিং ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানসের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সুপারসেল-এর একটি বড় অংশের মালিকানা অধিগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে যার অর্থমূল্য প্রায় ৮৬০ কোটি মার্কিন ডলার। গেইমিং ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় অধিগ্রহণ। এই লেনদেনের মাঝে জাপানের সফটব্যাংক গ্রুপের ৭২.২ শতাংশ স্টকও অন্তর্ভুক্ত, জানিয়েছে রয়টার্স।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিউযু এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী পিটার ওয়ারম্যান বলেন,“মোবাইলের পর্দার কথা মাথায় রেখে ডিজাইনারদের অবশ্যই সাধারণ গ্রাফিক্স আর কাহিনীভিত্তিক গেইম ডেভলপ করতে হয়। কিন্তু এত সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও গেইমারদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা গেইমে জটিল ও কৌশলগত নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জগতের অন্যান্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলার সুযোগ দিয়ে থাকি।"
নিউযু-এর দেওয়া তথ্যমতে এ বছর বিশ্বজুড়ে বিক্রয়লব্ধ আয় ৩৭০০ কোটি ডলারে পৌঁছাবে এবং প্রথমবারের মত কম্পিউটার গেইমসের বিক্রয় ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অধিকাংশ গেইমের ডাউনলোড পুরোপুরি ফ্রি হলেও ডেভলপাররা কিছু "ইন গেইম পার্চেস"-এর মাধ্যমে আয় করে থাকে। যেমন অ্যাকশানের গতি বাড়ানো, শিল্ড এর সময় বাড়ানো বা নতুন কস্টিউম বা অস্ত্র কেনা ইত্যাদি।
মে, ২০১৬-তে নিউযু এর তথ্য অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রে মোবাইল গেইমগুলোর ৪৫ শতাংশের মতো বিক্রয়লব্ধ আয় আসে অ্যাকশান, অ্যাডভেঞ্চার, স্ট্র্যাটেজি আর রোলপ্লেয়িং গেইমসগুলো থেকে।
গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বে সর্বাধিক আয় করা ১০টির মধ্যে ৭টি গেইমই ছিল অপেক্ষাকৃত জটিল বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন “কোর" গেইম, "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস" মনস্টার স্ট্রাইক, গেইম অফ ওয়ার-ফায়ার ইত্যাদি। তবে এই "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস"গেইম এর মত এত মার্কেট আগে কোন গেইম ই দখল করতে পারে নাই।

Tuesday, July 19, 2016

Earn from Bangladesh - গুগল অ্যাডসেন্স কি এবং কিভাবে আয় হয়ে থাকে ।

আমরা আমাদের প্রতিদিনের বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ওয়েব সাইট এ ভিজিট করে থাকি , সে সময় দেখা যায় সেই সব সাইটের কোন কোন টিতে ব্যানারের স্থানে বা পাশের সাইড বারে বা পোস্টের মাঝে কত গুলি  লিঙ্ক থাকে আর তাতে লেখা থাকে “ads by Google”। এখন হয়ত আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে “ads by Google” বা এই “গুগল অ্যাডসেন্স কি” । হ্যা এই অ্যাডস গুলিই  গুগল অ্যাডসেন্স । আপনি হয়ত জেনে থাকবেন যে আপনি যদি ঐ সব লিংকে ক্লিক করেন তবে ওই সাইটের মালিকের গুগল আডসেন্স এ্যাকাউন্টে কিছু টাকা জমা হবে। আর তাই এখন হয়ত এও জানতে চাইবেন যে কিভাবে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে টাকা আয় করা যায়।

আসলে গুগল অ্যাডসেন্স   হচ্ছে গুগল পরিচালিত একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন। এটি মূলত একটি লাভ-অংশিদারী প্রকল্প যার মাধ্যমে গুগল ও তার ব্যবহারকারী তাদের ওয়েবসাইটে  বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগের মালিক কিছু শর্তসাপেক্ষে তার সাইটে গুগল নির্ধারিত বিজ্ঞাপণ দেখানর বা স্থাপনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। আজকের অনলাইন বিশ্বে এই বিষয়টি ব্যপক সাড়া জাগিয়েছে। বিজ্ঞাপণদাতাদের নিকট থেকে প্রাপ্ত অর্থের ৫০ থেকে ৬০ ভাগ টাকাই ওয়েবসাইতের মালিকদের মাঝে ভাগাভাগি করে নেয়।  আর গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে যেকেউ অর্থ আয় করতে পারে। প্রচুর বাংলাদেশী ব্লগার এবং ওয়েবসাইটের মালিক গুগল অ্যডসেন্সের বিজ্ঞাপণ প্রদর্শণের মাধ্যমে বর্তমানে অর্থ আয় করছেন।
প্রথমেই বলে রাখি গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আপনি যদি ইনকাম করতে চাইলে আপনার একটি নিজের ওয়েব সাইট থাকা দরকার, তবে না থাকলেও যে আয় করা সম্ভব না তাও কিন্তু নয় । এই সাইট টা ফ্রি হলেও চলবে । কিভাবে ফ্রি সাইট বানাতে হয় তা আগামীতে দেখান হবে , তবে আপাতত এখান থেকে দেখতে পারেন “কিভাবে ফ্রি ওয়েব সাইট বানাতে হয়

গুগল অ্যাডসেন্সে একাউন্ট কি ভাবে করতে হয় :

গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট এর জন্য প্রথমেই আপনার একটি জিমেইল একাউন্ট থাকতে হবে। গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট তৈ্রী করতে উপায় নিন্মে ধারাবাহিক ভাবে আলোচনা করা হল ।

  • যদি আপনার কোন গুগল অ্যাকাউন্ট না থাকে তাহলে এখনি একটা গুগর অ্যাকাউন্ট করে ফেলেন যা বাংলাদেশে সম্পুর্ন ফ্রি । গুগল অ্যাকাউন্ট করতে এখানে ক্লিক করেন । 
  • এরপর আনি যে কোন সাইট থেকে একটি ওয়েব সাইট তৈরী করতে হবে ।
  • www.google.com/adsense এ গয়ে  sing up বাটনে ক্লিক করুন ।
  • তার পর একটি ফরম আসবে । ফরম এ আপনার ওয়েব সাইট এর নাম , তারপর কোন ভাষায় আপনার ওয়েব সাইট , আপনার Account type ,আপনার Country , আপনার নাম (তবে মনে রাখবেন যেনামে আপনার ব্যাংকের একাউন্ট সেই নাম দিবেন না হলে পরে ঝামেলা হবে) , আপনার Street Address , City/Town , এখন কোথায় থাকেন  ইত্যাদি ।ফর্মটি ঠিকভাবে পুরন করে সাবমিট ইনফর্মেশন বাটনে ক্লিক করুন।  
    আপাতত আপনার কাজ শেষ । এখন গুগলের  একজন ইঞ্জিনিয়ার আপনার রিকোয়স্ট ভ্যারিফাই করবে , আর যদি সব কিছু ঠিক থাকে তবে আপনার একাউন্ট এক্টিভ হবে । তারপরে আপনার সাইটে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আপনিও আয় করতে পারবেন ।

    পরবর্তী তে দেখান হবে কিভাবে সাইটে এড যোগ করবেন , কিভাবে আর্নি বাড়াতে হয় আর একাউন্ট ভ্যারিফাই করার উপায়  এছাড়াও গুগল থেকে প্রাপ্ত চেক কিভাবে ভাংগাতে হয় । আর এটাও দেখান হবে কি কি ভাবে নিজের ওয়েবসাইট না থাকার পরেও গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয় করা যায় ।


Saturday, July 16, 2016

মেসির জন্য প্রচারে নেমে পাল্টা চাপে বার্সেলোনা .

আয়কর নিয়ে বিতর্কে লিওনেল মেসির পাশে দাঁড়িয়ে প্রচার-অভিযানে নেমে উল্টে সমালোচনাই ডেকে এনেছে তাঁর ক্লাব বার্সেলোনা। আদালত মেসিকে আয়কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে ২১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে। সঙ্গে বিশাল অঙ্কের জরিমানাও করা হয়েছে

আয়কর নিয়ে বিতর্কে লিওনেল মেসির পাশে দাঁড়িয়ে প্রচার-অভিযানে নেমে উল্টে সমালোচনাই ডেকে এনেছে তাঁর ক্লাব বার্সেলোনা। আদালত মেসিকে আয়কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে ২১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে। সঙ্গে বিশাল অঙ্কের জরিমানাও করা হয়েছে।
যদিও মেসি এবং তাঁর বাবাকে জেল খাটতে হয়তো হবে না। স্পেনের আইন অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলা বাদ দিয়ে দু’বছরের কম কারাদণ্ড হলে হাজতবাস এড়ানো যেতে পারে। বার্সেলোনা এবং আর্জেন্তিনারই আর এক ফুটবলার হাভিয়ার মাসচেরানোও একইভাবে কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে হাজতবাসের দণ্ডাদেশ পেয়েছিলেন। কিন্তু মাসচেরানোকে জেলে যেতে হয়নি। মনে করা হচ্ছে, মেসি এবং তাঁর বাবাও তাই হাজতবাস থেকে রেহাই পাবেন।
কিন্তু মেসিকে নিয়ে বিতর্ক থামছে না। বার্সেলোনা তাদের ওয়েবসাইটে ‘উই আর অল লিও মেসি’ বলে একটি প্রচার শুরু করেছে। যেখানে আদালতের রায়কে অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে ক্লাবের পক্ষ থেকে ভক্তদের কাছে আবেদন রাখা হয়েছে, মেসির পাশে দাঁড়ানোর। ফুটবলভক্তরা কেউ কেউ সমর্থনও জানাচ্ছেন।
কিন্তু স্পেনেই অনেকে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন, এই ধরনের প্রচার নিয়ে। স্পেনে খেলাধুলো তদারকির জন্য হাই কাউন্সিল রয়েছে। তারা সরকারি সংস্থা। সেই সংস্থার প্রেসিডেন্ট মিগেল কার্দেনাল বলেছেন, এরকম প্রচারে নেমে বার্সেলোনা ভুল করেছে। সাংবাদিকদের মিগেল বলেছেন যে, স্পেনে আইন অনুযায়ী মেসি নিজে উচ্চতর আদালতে আবেদন করতে পারেন। তিনি সেটা করছেনও। এর জন্য ক্লাবের প্রচারে নামার কোনও প্রয়োজন ছিল না।
‘‘আমাদের দেশে প্রত্যেকের সুরক্ষার বিষয়টিই দেখা হয়। স্পেনের সিস্টেম নিয়ে মেসির খুশিই থাকা উচিত,’’ বলেছেন মিগুয়েল। ট্যাক্স ইন্সপেক্টরদের সংস্থার প্রেসিডেন্ট কার্লোস ক্রুজাদোও মেসি ও বার্সেলোনার সমালোচনা করে বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বার্সেলোনা এবং তাদের তারকা ফুটবলারের উচিত ছিল আদালতের রায় মেনে অধ্যায়টিকে শেষ করে দেওয়া।
কার্লোস তাঁর বিবৃতিতে মেসি এবং বার্সেলোনাকে পাল্টা আক্রমণ করে বলেছেন, ‘তারকা হিসাবে মেসির উচিত উদাহরণ তৈরি করা। বার্সেলোনার মতো সারা বিশ্বে পরিচিত একটি ক্লাবের দায়িত্ব নাগরিকদের মনে করিয়ে দেওয়া যে, আমাদের সকলেরই আয়কর দেওয়া উচিত। নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা না করে ওরা ভুলের স্বপক্ষে প্রচারে নামল!’
আয়কর-মামলায় মেসির প্রতি সমর্থন দেখানোর জন্য বার্সেলোনার পক্ষ থেকে ভক্তদের একটি বিশেষ ছবি পোস্ট করতে বলা হয়েছে। হাত দু’টিকে ছড়িয়ে যেন মেসিকে আলিঙ্গন করার চেষ্টা। যাতে বোঝানো যায়, মেসি আমরা তোমাকে ভালবাসি। বার্সেলোনার প্রেসিডেন্ট জোসেপ মারিয়া বার্তুমেউ টুইটারে এই ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘লিও তোমাকে যারা আক্রমণ করছে, তারা বার্সা এবং ক্লাবের সুদীর্ঘ ইতিহাসকে আক্রমণ করছে। আমরা তোমার পাশে শেষ পর্যন্ত আছি। আমরা চিরকালের সঙ্গী’।
তাঁর এই বার্তাও স্পেনের সরকারিমহলে খুব ভালভাবে কেউ নেননি। ওদিকে বার্সার পাল্টা অভিযানও শুরু হয়ে গিয়েছে ইন্টারনেটে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘আই অ্যাম নট লিও মেসি’। ইপিএলের কয়েকটি ক্লাবের সঙ্গেও মেসির নাম জড়াতে শুরু করেছে। জল্পনা চলছে, স্পেনের কর-বিতর্কে ক্ষুব্ধ মেসি বার্সেলোনা ছেড়ে চলে যেতে পারেন চেলসির মতো কোনও ক্লাবে। চেলসির মালিক রোমান আব্রামোভিচের সঙ্গে মেসির বাবা গোপন বৈঠক করেছেন, এমন দাবিও করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম।
এমন সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে লা লিগা সংস্থাও। লা লিগার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ার তেবাস মেদরানো বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, ‘মেসি কোনও ক্রিমিনাল নয়। আমার সঙ্গে ওর কথা হয়েছে। আমি খুব খুশি জেনে যে, ও লা লিগাতেই থাকবে।’’ সত্যিই থাকবেন?

আমিনুল-মেহরাব-তামিমেরও আগে তিনি

আমিনুল ইসলাম, মেহরাব হোসেন, তামিম ইকবাল—






বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে তিনটি নাম মিলেছে এক বিন্দুতে। বিন্দুটি কী, ধরতে পেরেছেন নিশ্চয়ই। আমিনুল উজ্জ্বল হয়ে আছেন বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে তিন অঙ্ক ছুঁয়ে। ওয়ানডেতে প্রথম সেঞ্চুরি করে রেকর্ডের আরেকটি অধ্যায়ে জ্বল জ্বল করছে মেহরাবের নাম। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম সেঞ্চুরি করে তামিম এমন অনন্য কীর্তির সর্বশেষ অংশীদার।আন্তর্জাতিক আঙিনায় বাংলাদেশের হয়ে সেঞ্চুরির ‘প্রথমে’ আমিনুল, মেহরাব, তামিমের সঙ্গে উচ্চারিত হবে আরেকটি নাম—ইউসুফ রহমান।, ইউসুফ বাবু নামেই যিনি অধিক পরিচিত, দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন ৯ জুলাই ১৯৮২, আইসিসি ট্রফির তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে সেঞ্চুরিটির জন্য। ওয়ানডে মর্যাদা না পেলেও ম্যাচটি এক অর্থে তো ‘আন্তর্জাতিক’। বাংলাদেশ দলের প্রতিনিধিত্ব করে ​সেটাই ছিল কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে প্রথম সেঞ্চুরি।




৯০ দশকের শেষ দিকে ইউসুফ পাড়ি জমিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। এখন থাকেন নিউইয়র্কে। কাল রাতে মুঠোফোনে কথা হলো তাঁর সঙ্গে। সেঞ্চুরির কথা মনে করিয়ে দিতেই রোমাঞ্চিত হলেন। আক্রান্ত হলেন স্মৃতিকাতরতায়। সহস্র মাইল দূর থেকে ভেসে আসা কণ্ঠে সেটি আঁচ করা গেল অনায়াসেই।
বোর্নভিলে সেদিন বাংলাদেশের দুর্দান্ত সূচনা এনে দিয়েছিল ইউসুফ-নাজিম সিরাজির ওপেনিং জুটি। ৬০ ওভারের ম্যাচে উদ্বোধনী জুটি তুলেছিল ১৭০ রান। এর মধ্যে ইউসুফের রানই ১১৫। চোখে তাঁর মূর্ত হয়ে ওঠল ৩৪ বছর আগের স্মৃতি, ‘আমরা ওপেনিং জুটিতে ৩৬ ওভারে করে ফেলি ১৭০ রান। বাউন্ডারিই মেরেছিলাম ১৪ কিংবা ১৫টি। লাঞ্চের খানিক আগে ড্রাইভ করতে গিয়ে কাভারে ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট।’

দারুণ শুরুর পরও বাংলাদেশ অলআউট ২২৪ রানে। বিনা উইকেটে ১৭০ থেকে আর ৫৪ রান যোগ করতেই পড়ে যায় সবকটি উইকেট! ৫৭ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যটা পেরিয়ে যায় পাপুয়া নিউগিনি। ইউসুফের সেঞ্চুরির আনন্দে বিষাদ ঢেলে দেয়ে দলের অমন পরাজয়, ‘জানেন, লাঞ্চের সময় পাপুয়া নিউগিনির ম্যানেজমেন্ট মাঠ ছেড়ে চলে গিয়েছিল। তারা ভেবেছিল, যেভাবে শুরু করেছি আমরা অন্তত ৩৫০ রান করব। উইকেটও ছিল ভীষণ ব্যাটিংবান্ধব। সেখান থেকে ২২৪ রানে অলআউট হলাম। বোকার মতো চারটি রানআউটের বড় মূল্য দিতে হলো।’ দল হারলেও সেঞ্চুরি করে হয়েছিলেন ম্যান অব দ্য ম্যাচ। তবে তাতেও তৃপ্তি আসেনি, দলের পরাজয়টা আজও দাগ কাটে ইউসুফের হৃদয়ে। আছে একটি আফসোসও। আইসিসি ট্রফিতে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান, কিন্তু আমিনুল-মেহরাবের প্রথম সেঞ্চুরির মতো এটি হয়তো অনেককে জানেনই না। কিন্তু একদিন কেউ একটা ভিত গড়ে দিয়েছিল বলেই, কেউ একটা ইট গেঁথেছিল বলেই তো একটা দালান হয়ে উঠতে পেরেছে বাংলাদেশের ক্রিকেট। শুধু ওই সেঞ্চুরি নয়, ইউসুফকে মনে রাখতে হবে ১৯৭৭ সালে এমসিসির বিপক্ষে ৭৮ রানের ইনিংসটির জন্যও। বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রথম ম্যাচ ছিল সেটি। যে সময়ে ব্যাটিংয়ে ঝড় তোলাটা ছিল রীতিবিরুদ্ধ, দেখেশুনে খেলাটা ছিল বরং প্রচলিত নিয়ম। রীতি ভেঙে ইউসুফ নিজেকে চিনিয়েছিলেন আগ্রাসী ব্যাটসম্যান হিসেবে। ক্রিকেটের পাশাপাশি তিনি বাস্কেটবলও খেলতে পারতে দারুণ। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে লিখেছিলেন ‘সেন্টিমেন্টাল জার্নি’ নামে একটি বই। প্রবাসজীবনে তাঁর ব্যস্ততা এখন ব্যবসা নিয়ে। সেখানেও তিনি ভীষণ সফল। প্রায় প্রতিবছর একবার অন্তত আসেন দেশে।
ক্রিকেটার, বাস্কেটবল খেলোয়াড়, সফল ব্যবসায়ী, লেখক—সব ছাপিয়ে ইউসুফ বাবুর নামটি মনে রাখতে হবে ওই সেঞ্চুরিটির জন্যই। বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরি যে ছিল সেটাই!

নে​ইমারকে ঘিরেই ব্রাজিলের স্বপ্ন .

ফুটবলের সম্ভাব্য সব শিরোপাই তো জেতা হয়ে গেছে ব্রাজিলের। কিন্তু এমন গৌরবে কাঁটা হয়ে আছে অলিম্পিক। মঞ্চ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ক্রীড়াযজ্ঞ, তখনই হাহাকার ঘিরে ধরে ব্রাজিলকে। একমাত্র অলিম্পিকটাই অধরা আছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কাছে।
দেশের মাটিতে অলিম্পিকে যেকোনো মূল্যেই সেই আক্ষেপ ঘোচাতে চায় ব্রাজিল।
সে জন্য দলের সেরা তারকা নেইমারকে কোপা আমেরিকায় না খেলিয়ে রেখে দেওয়া হয়েছে অলিম্পিকের জন্য। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার অলিম্পিকে খেলতে যাচ্ছেন নেইমার। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকেও সোনার স্বপ্ন নিয়ে খেলতে গিয়েছিলেন নেইমার। কিন্তু সেবার মেক্সিকোর কাছে ফাইনালে হেরে যাওয়ায় রুপাতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাঁকে। নেইমারের আগে দুবার অলিম্পিক খেলেছেন রোনালদিনহোও। কিন্তু তাঁর গলায়ও ওঠেনি সোনার পদক।
দেশকে প্রথমবারের মতো অলিম্পিক সোনা কি এনে দিতে পারবেন নেইমার? নাকি তাঁকেও রোনালদিনহোর ভাগ্য বরণ করতে হবে! তবে সঙ্গী-সাথি কিন্তু ভালোই পেয়েছেন নেইমার। দলে আছেন বার্সা সতীর্থ রাফিনহা আলকানতারা। ভাই থিয়াগো স্পেনের হয়ে গেলেও জাতীয় দল হিসেবে বাবার দেশকেই পছন্দ এই মিডফিল্ডারের। দলে আরও আছেন ফেলিপে অ্যান্ডারসন ও রেনাতো অগুস্তো। আর রক্ষণে আছেন প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের মারকুইনহোস।
নেইমারের স্ট্রাইকিং সঙ্গী হিসেবে ১৮ জনের দলে আছেন ব্রাজিলের নতুন আলোড়ন দুই গ্যাব্রিয়েল। কোপা আমেরিকায় সান্তোসের ‘গাবিগোল’ গ্যাব্রিয়েল বারবোসার দেখা মিলেছে, এবার অলিম্পিকে দেখা যাবে পালমেইরাসের গ্যাব্রিয়েল হেসুসকেও।

তুরস্কে যেতে পারতেন মেসিরাও..

ম্যাচটা আর এক দিন আগে হলেই পরিস্থিতিটা অন্য রকম হতে পারত। একবার চিন্তা করুন তো, ইস্তাম্বুলের বিমানবন্দরে আটকা পড়ে আছেন লিওনেল মেসি, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তারা।
তবে মেসিরা না গেলেও সাবেক বার্সা খেলোয়াড় পুয়োল, ডেকো, আবিদালরা আগেই ইস্তাম্বুল চলে গিয়েছিলেন। আর বার্সার তুর্কি মিডফিল্ডার আরদা তুরানের দেশ তো তুরস্কই। নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে তাঁরা সবাই নিরাপদে আছেন বলে জানা গেছে।
শুনতে পাচ্ছেন, বাইরে থেমে থেমে বন্দুকের শব্দ, সেনা অভ্যুত্থান রণহুংকার আর নিরীহ মানুষের মৃত্যুর হাহাকার। মেসিদের ভাগ্য ভালো, তেমন কিছু হয়নি। শেষ পর্যন্ত তুরস্ক যেতে হয়নি তাঁদের।কিন্তু হঠাৎ মেসিদের তুরস্ক যাওয়ার দরকার পড়েছিল কেন? মেসিদের সাবেক সতীর্থ স্যামুয়েল ইতো ইস্তাম্বুলে নিজের দাতব্য সংগঠনের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটা প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করতে চেয়েছিলেন। সেখানে খেলার কথা ছিল মেসি, ইনিয়েস্তা ছাড়াও সুয়ারেজ, নেইমার, টট্টি, হ্যাজার্ড, জাভি, পুয়োলের মতো খেলোয়াড়দের। আজই ইস্তাম্বুলে হওয়ার কথা ছিল ম্যাচটি। কিন্তু তুরস্কের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মেসিরা আর সেখানে যাননি। সামরিক অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায় তুরস্ক যে এখন টালমাটাল! ম্যাচটাও আপাতত স্থগিত হয়ে গেছে বলে জানাচ্ছে ইংরেজি দৈনিক মিরর।