Online Earn

  • This is Slide 1 Title

    This is slide 1 description. Go to Edit HTML and replace these sentences with your own words. This is a Blogger template by Lasantha - PremiumBloggerTemplates.com...

  • This is Slide 2 Title

    This is slide 2 description. Go to Edit HTML and replace these sentences with your own words. This is a Blogger template by Lasantha - PremiumBloggerTemplates.com...

  • This is Slide 3 Title

    This is slide 3 description. Go to Edit HTML and replace these sentences with your own words. This is a Blogger template by Lasantha - PremiumBloggerTemplates.com...

Wednesday, July 20, 2016

"ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস" "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস" "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস"

"ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস" "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস" "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস"
 
যে দিকে তাকাই যার মোবাবাইলে ই দেখি "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস" গেইম আছে,
সত্যি বলতে আমি নিজে ও একজন "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস"পাগল,অবশর সময় কাটানোর
জন্য উপযুক্ত গেইম হল "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস"এখন বিশ্বের ৭০% যুবক এই গেইম এর ভক্ত।
আজকাল উত্সাহী গেইমারদের গেইমের বাজার ধরার জন্য ডেভলপাররা কনসোল ভিত্তিক গেইমগুলোর দিকেই ঝুঁকছেন এবং স্মার্টফোনের বাজারে উন্মুক্ত করছেন।
বর্তমান বিশ্বের সর্বাধিক বিক্রিত মোবাইল গেইম হল "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস", যা মধ্যযুগীয় ফ্যান্টাসি জগতকে উপজীব্য করে বানানো একটি যুদ্ধ কৌশল নির্ভর গেইম। এ সপ্তাহে চায়নার টেনসেন্ট হোল্ডিং ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানসের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সুপারসেল-এর একটি বড় অংশের মালিকানা অধিগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে যার অর্থমূল্য প্রায় ৮৬০ কোটি মার্কিন ডলার। গেইমিং ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় অধিগ্রহণ। এই লেনদেনের মাঝে জাপানের সফটব্যাংক গ্রুপের ৭২.২ শতাংশ স্টকও অন্তর্ভুক্ত, জানিয়েছে রয়টার্স।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিউযু এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী পিটার ওয়ারম্যান বলেন,“মোবাইলের পর্দার কথা মাথায় রেখে ডিজাইনারদের অবশ্যই সাধারণ গ্রাফিক্স আর কাহিনীভিত্তিক গেইম ডেভলপ করতে হয়। কিন্তু এত সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও গেইমারদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা গেইমে জটিল ও কৌশলগত নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জগতের অন্যান্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলার সুযোগ দিয়ে থাকি।"
নিউযু-এর দেওয়া তথ্যমতে এ বছর বিশ্বজুড়ে বিক্রয়লব্ধ আয় ৩৭০০ কোটি ডলারে পৌঁছাবে এবং প্রথমবারের মত কম্পিউটার গেইমসের বিক্রয় ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অধিকাংশ গেইমের ডাউনলোড পুরোপুরি ফ্রি হলেও ডেভলপাররা কিছু "ইন গেইম পার্চেস"-এর মাধ্যমে আয় করে থাকে। যেমন অ্যাকশানের গতি বাড়ানো, শিল্ড এর সময় বাড়ানো বা নতুন কস্টিউম বা অস্ত্র কেনা ইত্যাদি।
মে, ২০১৬-তে নিউযু এর তথ্য অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রে মোবাইল গেইমগুলোর ৪৫ শতাংশের মতো বিক্রয়লব্ধ আয় আসে অ্যাকশান, অ্যাডভেঞ্চার, স্ট্র্যাটেজি আর রোলপ্লেয়িং গেইমসগুলো থেকে।
গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বে সর্বাধিক আয় করা ১০টির মধ্যে ৭টি গেইমই ছিল অপেক্ষাকৃত জটিল বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন “কোর" গেইম, "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস" মনস্টার স্ট্রাইক, গেইম অফ ওয়ার-ফায়ার ইত্যাদি। তবে এই "ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস"গেইম এর মত এত মার্কেট আগে কোন গেইম ই দখল করতে পারে নাই।

Tuesday, July 19, 2016

Earn from Bangladesh - গুগল অ্যাডসেন্স কি এবং কিভাবে আয় হয়ে থাকে ।

আমরা আমাদের প্রতিদিনের বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ওয়েব সাইট এ ভিজিট করে থাকি , সে সময় দেখা যায় সেই সব সাইটের কোন কোন টিতে ব্যানারের স্থানে বা পাশের সাইড বারে বা পোস্টের মাঝে কত গুলি  লিঙ্ক থাকে আর তাতে লেখা থাকে “ads by Google”। এখন হয়ত আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে “ads by Google” বা এই “গুগল অ্যাডসেন্স কি” । হ্যা এই অ্যাডস গুলিই  গুগল অ্যাডসেন্স । আপনি হয়ত জেনে থাকবেন যে আপনি যদি ঐ সব লিংকে ক্লিক করেন তবে ওই সাইটের মালিকের গুগল আডসেন্স এ্যাকাউন্টে কিছু টাকা জমা হবে। আর তাই এখন হয়ত এও জানতে চাইবেন যে কিভাবে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে টাকা আয় করা যায়।

আসলে গুগল অ্যাডসেন্স   হচ্ছে গুগল পরিচালিত একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন। এটি মূলত একটি লাভ-অংশিদারী প্রকল্প যার মাধ্যমে গুগল ও তার ব্যবহারকারী তাদের ওয়েবসাইটে  বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগের মালিক কিছু শর্তসাপেক্ষে তার সাইটে গুগল নির্ধারিত বিজ্ঞাপণ দেখানর বা স্থাপনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। আজকের অনলাইন বিশ্বে এই বিষয়টি ব্যপক সাড়া জাগিয়েছে। বিজ্ঞাপণদাতাদের নিকট থেকে প্রাপ্ত অর্থের ৫০ থেকে ৬০ ভাগ টাকাই ওয়েবসাইতের মালিকদের মাঝে ভাগাভাগি করে নেয়।  আর গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে যেকেউ অর্থ আয় করতে পারে। প্রচুর বাংলাদেশী ব্লগার এবং ওয়েবসাইটের মালিক গুগল অ্যডসেন্সের বিজ্ঞাপণ প্রদর্শণের মাধ্যমে বর্তমানে অর্থ আয় করছেন।
প্রথমেই বলে রাখি গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আপনি যদি ইনকাম করতে চাইলে আপনার একটি নিজের ওয়েব সাইট থাকা দরকার, তবে না থাকলেও যে আয় করা সম্ভব না তাও কিন্তু নয় । এই সাইট টা ফ্রি হলেও চলবে । কিভাবে ফ্রি সাইট বানাতে হয় তা আগামীতে দেখান হবে , তবে আপাতত এখান থেকে দেখতে পারেন “কিভাবে ফ্রি ওয়েব সাইট বানাতে হয়

গুগল অ্যাডসেন্সে একাউন্ট কি ভাবে করতে হয় :

গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট এর জন্য প্রথমেই আপনার একটি জিমেইল একাউন্ট থাকতে হবে। গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট তৈ্রী করতে উপায় নিন্মে ধারাবাহিক ভাবে আলোচনা করা হল ।

  • যদি আপনার কোন গুগল অ্যাকাউন্ট না থাকে তাহলে এখনি একটা গুগর অ্যাকাউন্ট করে ফেলেন যা বাংলাদেশে সম্পুর্ন ফ্রি । গুগল অ্যাকাউন্ট করতে এখানে ক্লিক করেন । 
  • এরপর আনি যে কোন সাইট থেকে একটি ওয়েব সাইট তৈরী করতে হবে ।
  • www.google.com/adsense এ গয়ে  sing up বাটনে ক্লিক করুন ।
  • তার পর একটি ফরম আসবে । ফরম এ আপনার ওয়েব সাইট এর নাম , তারপর কোন ভাষায় আপনার ওয়েব সাইট , আপনার Account type ,আপনার Country , আপনার নাম (তবে মনে রাখবেন যেনামে আপনার ব্যাংকের একাউন্ট সেই নাম দিবেন না হলে পরে ঝামেলা হবে) , আপনার Street Address , City/Town , এখন কোথায় থাকেন  ইত্যাদি ।ফর্মটি ঠিকভাবে পুরন করে সাবমিট ইনফর্মেশন বাটনে ক্লিক করুন।  
    আপাতত আপনার কাজ শেষ । এখন গুগলের  একজন ইঞ্জিনিয়ার আপনার রিকোয়স্ট ভ্যারিফাই করবে , আর যদি সব কিছু ঠিক থাকে তবে আপনার একাউন্ট এক্টিভ হবে । তারপরে আপনার সাইটে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আপনিও আয় করতে পারবেন ।

    পরবর্তী তে দেখান হবে কিভাবে সাইটে এড যোগ করবেন , কিভাবে আর্নি বাড়াতে হয় আর একাউন্ট ভ্যারিফাই করার উপায়  এছাড়াও গুগল থেকে প্রাপ্ত চেক কিভাবে ভাংগাতে হয় । আর এটাও দেখান হবে কি কি ভাবে নিজের ওয়েবসাইট না থাকার পরেও গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয় করা যায় ।


Saturday, July 16, 2016

মেসির জন্য প্রচারে নেমে পাল্টা চাপে বার্সেলোনা .

আয়কর নিয়ে বিতর্কে লিওনেল মেসির পাশে দাঁড়িয়ে প্রচার-অভিযানে নেমে উল্টে সমালোচনাই ডেকে এনেছে তাঁর ক্লাব বার্সেলোনা। আদালত মেসিকে আয়কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে ২১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে। সঙ্গে বিশাল অঙ্কের জরিমানাও করা হয়েছে

আয়কর নিয়ে বিতর্কে লিওনেল মেসির পাশে দাঁড়িয়ে প্রচার-অভিযানে নেমে উল্টে সমালোচনাই ডেকে এনেছে তাঁর ক্লাব বার্সেলোনা। আদালত মেসিকে আয়কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে ২১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে। সঙ্গে বিশাল অঙ্কের জরিমানাও করা হয়েছে।
যদিও মেসি এবং তাঁর বাবাকে জেল খাটতে হয়তো হবে না। স্পেনের আইন অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলা বাদ দিয়ে দু’বছরের কম কারাদণ্ড হলে হাজতবাস এড়ানো যেতে পারে। বার্সেলোনা এবং আর্জেন্তিনারই আর এক ফুটবলার হাভিয়ার মাসচেরানোও একইভাবে কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে হাজতবাসের দণ্ডাদেশ পেয়েছিলেন। কিন্তু মাসচেরানোকে জেলে যেতে হয়নি। মনে করা হচ্ছে, মেসি এবং তাঁর বাবাও তাই হাজতবাস থেকে রেহাই পাবেন।
কিন্তু মেসিকে নিয়ে বিতর্ক থামছে না। বার্সেলোনা তাদের ওয়েবসাইটে ‘উই আর অল লিও মেসি’ বলে একটি প্রচার শুরু করেছে। যেখানে আদালতের রায়কে অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে ক্লাবের পক্ষ থেকে ভক্তদের কাছে আবেদন রাখা হয়েছে, মেসির পাশে দাঁড়ানোর। ফুটবলভক্তরা কেউ কেউ সমর্থনও জানাচ্ছেন।
কিন্তু স্পেনেই অনেকে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন, এই ধরনের প্রচার নিয়ে। স্পেনে খেলাধুলো তদারকির জন্য হাই কাউন্সিল রয়েছে। তারা সরকারি সংস্থা। সেই সংস্থার প্রেসিডেন্ট মিগেল কার্দেনাল বলেছেন, এরকম প্রচারে নেমে বার্সেলোনা ভুল করেছে। সাংবাদিকদের মিগেল বলেছেন যে, স্পেনে আইন অনুযায়ী মেসি নিজে উচ্চতর আদালতে আবেদন করতে পারেন। তিনি সেটা করছেনও। এর জন্য ক্লাবের প্রচারে নামার কোনও প্রয়োজন ছিল না।
‘‘আমাদের দেশে প্রত্যেকের সুরক্ষার বিষয়টিই দেখা হয়। স্পেনের সিস্টেম নিয়ে মেসির খুশিই থাকা উচিত,’’ বলেছেন মিগুয়েল। ট্যাক্স ইন্সপেক্টরদের সংস্থার প্রেসিডেন্ট কার্লোস ক্রুজাদোও মেসি ও বার্সেলোনার সমালোচনা করে বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বার্সেলোনা এবং তাদের তারকা ফুটবলারের উচিত ছিল আদালতের রায় মেনে অধ্যায়টিকে শেষ করে দেওয়া।
কার্লোস তাঁর বিবৃতিতে মেসি এবং বার্সেলোনাকে পাল্টা আক্রমণ করে বলেছেন, ‘তারকা হিসাবে মেসির উচিত উদাহরণ তৈরি করা। বার্সেলোনার মতো সারা বিশ্বে পরিচিত একটি ক্লাবের দায়িত্ব নাগরিকদের মনে করিয়ে দেওয়া যে, আমাদের সকলেরই আয়কর দেওয়া উচিত। নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা না করে ওরা ভুলের স্বপক্ষে প্রচারে নামল!’
আয়কর-মামলায় মেসির প্রতি সমর্থন দেখানোর জন্য বার্সেলোনার পক্ষ থেকে ভক্তদের একটি বিশেষ ছবি পোস্ট করতে বলা হয়েছে। হাত দু’টিকে ছড়িয়ে যেন মেসিকে আলিঙ্গন করার চেষ্টা। যাতে বোঝানো যায়, মেসি আমরা তোমাকে ভালবাসি। বার্সেলোনার প্রেসিডেন্ট জোসেপ মারিয়া বার্তুমেউ টুইটারে এই ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘লিও তোমাকে যারা আক্রমণ করছে, তারা বার্সা এবং ক্লাবের সুদীর্ঘ ইতিহাসকে আক্রমণ করছে। আমরা তোমার পাশে শেষ পর্যন্ত আছি। আমরা চিরকালের সঙ্গী’।
তাঁর এই বার্তাও স্পেনের সরকারিমহলে খুব ভালভাবে কেউ নেননি। ওদিকে বার্সার পাল্টা অভিযানও শুরু হয়ে গিয়েছে ইন্টারনেটে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘আই অ্যাম নট লিও মেসি’। ইপিএলের কয়েকটি ক্লাবের সঙ্গেও মেসির নাম জড়াতে শুরু করেছে। জল্পনা চলছে, স্পেনের কর-বিতর্কে ক্ষুব্ধ মেসি বার্সেলোনা ছেড়ে চলে যেতে পারেন চেলসির মতো কোনও ক্লাবে। চেলসির মালিক রোমান আব্রামোভিচের সঙ্গে মেসির বাবা গোপন বৈঠক করেছেন, এমন দাবিও করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম।
এমন সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে লা লিগা সংস্থাও। লা লিগার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ার তেবাস মেদরানো বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, ‘মেসি কোনও ক্রিমিনাল নয়। আমার সঙ্গে ওর কথা হয়েছে। আমি খুব খুশি জেনে যে, ও লা লিগাতেই থাকবে।’’ সত্যিই থাকবেন?

আমিনুল-মেহরাব-তামিমেরও আগে তিনি

আমিনুল ইসলাম, মেহরাব হোসেন, তামিম ইকবাল—






বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে তিনটি নাম মিলেছে এক বিন্দুতে। বিন্দুটি কী, ধরতে পেরেছেন নিশ্চয়ই। আমিনুল উজ্জ্বল হয়ে আছেন বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে তিন অঙ্ক ছুঁয়ে। ওয়ানডেতে প্রথম সেঞ্চুরি করে রেকর্ডের আরেকটি অধ্যায়ে জ্বল জ্বল করছে মেহরাবের নাম। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম সেঞ্চুরি করে তামিম এমন অনন্য কীর্তির সর্বশেষ অংশীদার।আন্তর্জাতিক আঙিনায় বাংলাদেশের হয়ে সেঞ্চুরির ‘প্রথমে’ আমিনুল, মেহরাব, তামিমের সঙ্গে উচ্চারিত হবে আরেকটি নাম—ইউসুফ রহমান।, ইউসুফ বাবু নামেই যিনি অধিক পরিচিত, দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন ৯ জুলাই ১৯৮২, আইসিসি ট্রফির তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে সেঞ্চুরিটির জন্য। ওয়ানডে মর্যাদা না পেলেও ম্যাচটি এক অর্থে তো ‘আন্তর্জাতিক’। বাংলাদেশ দলের প্রতিনিধিত্ব করে ​সেটাই ছিল কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে প্রথম সেঞ্চুরি।




৯০ দশকের শেষ দিকে ইউসুফ পাড়ি জমিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। এখন থাকেন নিউইয়র্কে। কাল রাতে মুঠোফোনে কথা হলো তাঁর সঙ্গে। সেঞ্চুরির কথা মনে করিয়ে দিতেই রোমাঞ্চিত হলেন। আক্রান্ত হলেন স্মৃতিকাতরতায়। সহস্র মাইল দূর থেকে ভেসে আসা কণ্ঠে সেটি আঁচ করা গেল অনায়াসেই।
বোর্নভিলে সেদিন বাংলাদেশের দুর্দান্ত সূচনা এনে দিয়েছিল ইউসুফ-নাজিম সিরাজির ওপেনিং জুটি। ৬০ ওভারের ম্যাচে উদ্বোধনী জুটি তুলেছিল ১৭০ রান। এর মধ্যে ইউসুফের রানই ১১৫। চোখে তাঁর মূর্ত হয়ে ওঠল ৩৪ বছর আগের স্মৃতি, ‘আমরা ওপেনিং জুটিতে ৩৬ ওভারে করে ফেলি ১৭০ রান। বাউন্ডারিই মেরেছিলাম ১৪ কিংবা ১৫টি। লাঞ্চের খানিক আগে ড্রাইভ করতে গিয়ে কাভারে ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট।’

দারুণ শুরুর পরও বাংলাদেশ অলআউট ২২৪ রানে। বিনা উইকেটে ১৭০ থেকে আর ৫৪ রান যোগ করতেই পড়ে যায় সবকটি উইকেট! ৫৭ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যটা পেরিয়ে যায় পাপুয়া নিউগিনি। ইউসুফের সেঞ্চুরির আনন্দে বিষাদ ঢেলে দেয়ে দলের অমন পরাজয়, ‘জানেন, লাঞ্চের সময় পাপুয়া নিউগিনির ম্যানেজমেন্ট মাঠ ছেড়ে চলে গিয়েছিল। তারা ভেবেছিল, যেভাবে শুরু করেছি আমরা অন্তত ৩৫০ রান করব। উইকেটও ছিল ভীষণ ব্যাটিংবান্ধব। সেখান থেকে ২২৪ রানে অলআউট হলাম। বোকার মতো চারটি রানআউটের বড় মূল্য দিতে হলো।’ দল হারলেও সেঞ্চুরি করে হয়েছিলেন ম্যান অব দ্য ম্যাচ। তবে তাতেও তৃপ্তি আসেনি, দলের পরাজয়টা আজও দাগ কাটে ইউসুফের হৃদয়ে। আছে একটি আফসোসও। আইসিসি ট্রফিতে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান, কিন্তু আমিনুল-মেহরাবের প্রথম সেঞ্চুরির মতো এটি হয়তো অনেককে জানেনই না। কিন্তু একদিন কেউ একটা ভিত গড়ে দিয়েছিল বলেই, কেউ একটা ইট গেঁথেছিল বলেই তো একটা দালান হয়ে উঠতে পেরেছে বাংলাদেশের ক্রিকেট। শুধু ওই সেঞ্চুরি নয়, ইউসুফকে মনে রাখতে হবে ১৯৭৭ সালে এমসিসির বিপক্ষে ৭৮ রানের ইনিংসটির জন্যও। বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রথম ম্যাচ ছিল সেটি। যে সময়ে ব্যাটিংয়ে ঝড় তোলাটা ছিল রীতিবিরুদ্ধ, দেখেশুনে খেলাটা ছিল বরং প্রচলিত নিয়ম। রীতি ভেঙে ইউসুফ নিজেকে চিনিয়েছিলেন আগ্রাসী ব্যাটসম্যান হিসেবে। ক্রিকেটের পাশাপাশি তিনি বাস্কেটবলও খেলতে পারতে দারুণ। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে লিখেছিলেন ‘সেন্টিমেন্টাল জার্নি’ নামে একটি বই। প্রবাসজীবনে তাঁর ব্যস্ততা এখন ব্যবসা নিয়ে। সেখানেও তিনি ভীষণ সফল। প্রায় প্রতিবছর একবার অন্তত আসেন দেশে।
ক্রিকেটার, বাস্কেটবল খেলোয়াড়, সফল ব্যবসায়ী, লেখক—সব ছাপিয়ে ইউসুফ বাবুর নামটি মনে রাখতে হবে ওই সেঞ্চুরিটির জন্যই। বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরি যে ছিল সেটাই!

নে​ইমারকে ঘিরেই ব্রাজিলের স্বপ্ন .

ফুটবলের সম্ভাব্য সব শিরোপাই তো জেতা হয়ে গেছে ব্রাজিলের। কিন্তু এমন গৌরবে কাঁটা হয়ে আছে অলিম্পিক। মঞ্চ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ক্রীড়াযজ্ঞ, তখনই হাহাকার ঘিরে ধরে ব্রাজিলকে। একমাত্র অলিম্পিকটাই অধরা আছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কাছে।
দেশের মাটিতে অলিম্পিকে যেকোনো মূল্যেই সেই আক্ষেপ ঘোচাতে চায় ব্রাজিল।
সে জন্য দলের সেরা তারকা নেইমারকে কোপা আমেরিকায় না খেলিয়ে রেখে দেওয়া হয়েছে অলিম্পিকের জন্য। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার অলিম্পিকে খেলতে যাচ্ছেন নেইমার। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকেও সোনার স্বপ্ন নিয়ে খেলতে গিয়েছিলেন নেইমার। কিন্তু সেবার মেক্সিকোর কাছে ফাইনালে হেরে যাওয়ায় রুপাতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাঁকে। নেইমারের আগে দুবার অলিম্পিক খেলেছেন রোনালদিনহোও। কিন্তু তাঁর গলায়ও ওঠেনি সোনার পদক।
দেশকে প্রথমবারের মতো অলিম্পিক সোনা কি এনে দিতে পারবেন নেইমার? নাকি তাঁকেও রোনালদিনহোর ভাগ্য বরণ করতে হবে! তবে সঙ্গী-সাথি কিন্তু ভালোই পেয়েছেন নেইমার। দলে আছেন বার্সা সতীর্থ রাফিনহা আলকানতারা। ভাই থিয়াগো স্পেনের হয়ে গেলেও জাতীয় দল হিসেবে বাবার দেশকেই পছন্দ এই মিডফিল্ডারের। দলে আরও আছেন ফেলিপে অ্যান্ডারসন ও রেনাতো অগুস্তো। আর রক্ষণে আছেন প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের মারকুইনহোস।
নেইমারের স্ট্রাইকিং সঙ্গী হিসেবে ১৮ জনের দলে আছেন ব্রাজিলের নতুন আলোড়ন দুই গ্যাব্রিয়েল। কোপা আমেরিকায় সান্তোসের ‘গাবিগোল’ গ্যাব্রিয়েল বারবোসার দেখা মিলেছে, এবার অলিম্পিকে দেখা যাবে পালমেইরাসের গ্যাব্রিয়েল হেসুসকেও।

তুরস্কে যেতে পারতেন মেসিরাও..

ম্যাচটা আর এক দিন আগে হলেই পরিস্থিতিটা অন্য রকম হতে পারত। একবার চিন্তা করুন তো, ইস্তাম্বুলের বিমানবন্দরে আটকা পড়ে আছেন লিওনেল মেসি, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তারা।
তবে মেসিরা না গেলেও সাবেক বার্সা খেলোয়াড় পুয়োল, ডেকো, আবিদালরা আগেই ইস্তাম্বুল চলে গিয়েছিলেন। আর বার্সার তুর্কি মিডফিল্ডার আরদা তুরানের দেশ তো তুরস্কই। নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে তাঁরা সবাই নিরাপদে আছেন বলে জানা গেছে।
শুনতে পাচ্ছেন, বাইরে থেমে থেমে বন্দুকের শব্দ, সেনা অভ্যুত্থান রণহুংকার আর নিরীহ মানুষের মৃত্যুর হাহাকার। মেসিদের ভাগ্য ভালো, তেমন কিছু হয়নি। শেষ পর্যন্ত তুরস্ক যেতে হয়নি তাঁদের।কিন্তু হঠাৎ মেসিদের তুরস্ক যাওয়ার দরকার পড়েছিল কেন? মেসিদের সাবেক সতীর্থ স্যামুয়েল ইতো ইস্তাম্বুলে নিজের দাতব্য সংগঠনের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটা প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করতে চেয়েছিলেন। সেখানে খেলার কথা ছিল মেসি, ইনিয়েস্তা ছাড়াও সুয়ারেজ, নেইমার, টট্টি, হ্যাজার্ড, জাভি, পুয়োলের মতো খেলোয়াড়দের। আজই ইস্তাম্বুলে হওয়ার কথা ছিল ম্যাচটি। কিন্তু তুরস্কের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মেসিরা আর সেখানে যাননি। সামরিক অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায় তুরস্ক যে এখন টালমাটাল! ম্যাচটাও আপাতত স্থগিত হয়ে গেছে বলে জানাচ্ছে ইংরেজি দৈনিক মিরর।

Friday, July 15, 2016

7 Beauty Tips For Your Best Makeup

the Most Beautiful Face in the World .


Makeup depends on timing; base would be select on day or night. Base would be light at the day. In the night deep base hasn’t any problem.
How hot is properly set up, an event that itself is nicely presented Good looking expert  Afroza Parvin gave some advice.
At first wash the skin by face wash and clean jar to be very good. When washing your face look refreshed skin after rubbing a piece of ice. The skin makeup will hold for long.
1. Change up your shades. Because seriously, who wants to look like you’re wearing a too-pale foundation mask? It’s annoying but true: as your skin gets that pretty, sun-kissed glow, you may need a different shade of foundation and concealer to accommodate changes between your winter and summer coloring. You can even opt for a tinted moisturizer a shade darker than you’d wear in winter; we love BareMinerals Complexion Rescue Tinted Moisturizer Gel, which comes in 10 shades and has an SPF of 30. Pro tip: match the foundation shade to your skin on your face, not on any limb, as those tend to be darker than the rest of your body.
2. Cream eyeshadow will change your life. Cream shadows often are often more water-resistant and long-wearing than their powdery sisters, making them ideal for summertime. Powder shadows can travel along with the sweat and oils of your face and end up in areas you never intended for them to be. Tarte’s Amazonian Clay Waterproof Cream Eyeshadows are amazing; plus, if you pick one that’s a shade lighter than your skin tone or in a pretty pink shade, these gems can double as highlighters and even blush. How’s that for packing light?
3. Don’t forget a primer. The oils of your skin are known to separate the pigments in foundation, making it look uneven and blotchy. Primer creates a shield and prevents foundation and your skin’s natural oils from mingling. Stila’s Aqua Glow Perfecting Primer delivers cooling hydration while blurring out imperfections and making you look beautiful before you even put on any foundation. Since pores generally open up in warmer weather (which makes them a bit more visible to the naked eye), anything that works to blur that canvas will help you out.
4. Go waterproof. Eyelashes are tiny hairs, so keep them well-nourished, clump-free, and free of smears by using a waterproof mascara that is enriched with good-for-you oils, like our beloved Rimmel London’s Wonder’Lash Mascara With Argan Oil. And to avoid those awful under-eye smears, avoid applying mascara on your lower lashes: oils and sweat will collect under your eyes in the summer, and this could lead to transfer.
5. Use bronzer correctly. If we could tell the world just one thing, it would be that bronzer isn’t a second-step foundation, and you don’t wear it all over your face. Keep it on the apples of the cheeks if you just want a little tint, or lightly apply it over your forehead and right below your cheek bone. Be sure to blend harsh lines and keep metallics to a minimum to avoid an overly shiny look.
6. Blot or spray, don’t smear. If you need to remove oils or sweat from your face, taking a sheet of blotting paper and lightly touch it to your skin so it can absorb some of the oil. Rubbing will just smear the oils and your makeup around your face, which is not the look. When it comes to refreshing your face, don’t layer on pounds of extra product—these refreshing sprays will save the day. Keep them handy after makeup application to set your look, provide moisture that won’t remove your makeup, and (HUGE plus!) add a little bit of extra SPF protection as well. Many are formulated with aloe to soothe skin along the way, too.
7. Pick a stain. In summer, lip stains are the way to go: they don’t feel heavy on your lips and won’t roll off with sweat. YSL’s is super glossy for that “just jumped out of the pool” lip look, in addition to keeping your pout hydrated for up to 10 hours, and comes in really fun, eye-catching shades.

Sunday, June 12, 2016

SHILAIDAHA THAKUR BARI (KUSTIA)

Shilaidaha Thakur Bari was made by the forth father-in-law Prince Darkanath Tagore of great poet Robindranath Tagore. Now it is a museum where you can see the daily usage materials of Tagore family.
In Kustia you also can visit the Shrine of Lalan Shah, the great folk singer of Bangladesh. His folk songs are popularly known as Lalan Giti.  You can also visit to the Mujib Nagar. Mujib Nagar Smriti Shoudh is built by 23 Stambha at 20 acrs areas of land. At the time of liberation war in 1971 Mujib Nagar was the temporary capital of Bangladesh.





A BEAUTIFUL TOURIST SPOT SHAGORDHARI JESSORE

This is another tourist spot, which is in Jessore district, under Khulna Division. Sagordari is famous for the residence of Great poet Michael Modhusudon Datta, famous for his wonderful composition of sonnets. He was born in the year 1824 and died in 1873.
This two-storied residence, which is known as Michel Modhusudon museum, is now under the custody of Bangladesh Archeological Department, where you can see the daily usage materials of the great poet. Every year from 25-30 January a great mela (exhibition) is organized here, which is called Modhumela need after our beloved poet.
 

A huge crowd comes to Shagordari every year for the occasion of this mela.

SHAT GAMBUJ MOSQUE IN BAGERHAT DRISTRICT

In mid-15th century, a Muslim colony was founded in the inhospitable mangrove forest of the Sundarbans near the seacoast in the Bagerhat district by an obscure saint-General, named Ulugh Khan Jahan. He was the earliest torch bearer of Islam in the South who laid the nucleus of an affluent city during the reign of Sultan Nasiruddin Mahmud Shah (1442-59), then known as 'Khalifalabad' (present Bagerhat). Khan Jahan aborned his city with numerous mosques, tanks, roads and other public buildings, the spectacular ruins of which are focused around the most imposing and largest multidomed mosques in Bangladesh, known as the Shait-Gumbad Masjid (160'X108').
The stately fabric of the monument, serene and imposing, stands on the eastern bank of an unusually vast sweet-water tank, clustered around by the heavy foliage of a low-laying countryside, characteristic of a sea-coast landscape. So in the year 1459 the great Azam Ulugh Khan Jahan established this mosque, which called Shat Gambuj Mosjid. In Bengali Shat means the number 60. Though it is called Shat Gambuj Mosjid, actually the numbers of Gamboj in the mosque are 81. The mosque roofed over with 77 squat domes, including 7 chauchala or four-sided pitched Bengali domes in the middle row. The vast prayer hall, although provided with 11 arched doorways on east and 7 each on north and south for ventilation and light, presents a dark and somber appearance inside. It is divided into 7 longitudinal aisles and 11 deep bays by a forest of slender stone columns, from which springs rows of endless arches, supporting the domes. Six feet thick, slightly tapering walls and hollow and round, almost detached corner towers, resembling the bastions of fortress, each capped by small rounded cupolas, recall the Tughlaq architecture of Delhi.

The general appearance of this noble monument with its stark simplicity but massive character reflects the strength and simplicity of the builder. This mosque is 160 ft long and 108 ft. in its width. This is one of the most beautiful archeological and historical Mosque in Bangladesh made by red burn mud.
The archeological beauty of this Mosque enchants the tourist till now. Besides this Mosque an archeological museum is there where you can find that times archeological and historical